Hike Price: জিনিসপত্রের দাম আকাশ ছোঁয়া পিঁয়াজ হাফ সেঞ্চুরির পথে, ডিম মুরগির মাংস দাম বেড়েই চলেছে, সরকারের কোনো ভ্রুক্ষেপ নেই!
সেখ ইবাদুল ইসলাম: গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় সাধারণ মানুষের স্বার্থে সরকার পরিচালিত হয়। কিন্তু ইদানিং লক্ষ্য করা যাচ্ছে সরকার পরিচালিত হচ্ছে ব্যবসায়ীদের স্বার্থে। দুঃখের হলেও সত্য পশ্চিমবাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি এই রাজ্যের সাধারণ মানুষের আস্থা সবচেয়ে বেশি ছিল কারণ তিনি নিম্নবিত্ত পরিবার থেকে উঠে এসে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর কুরসিতে বসেছেন তবে ইদানিং যেন মনে করা হচ্ছে তিনিও আদানি আম্বানিদের খপ্পরে পড়েছেন।

ক্ষমতায় আসার পর রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জিনিসপত্রের মূল্যবৃদ্ধির রুখতে তৈরি করেছিলেন টাস্ক ফোর্স। এই সংস্থার কাজ ছিল জিনিসপত্রের মূল্যবৃদ্ধিকে নিয়ন্ত্রণ করা কিন্তু সেই টাস্ক ফোর্স এর আদৌ কোন অস্তিত্ব আছে বলে মনে হচ্ছে না। নিরবে বেড়ে চলেছে জিনিসপত্রের দাম অথচ সাধারণ মানুষের আয় তেমন ভাবে বাড়েনি। সরকারি কর্মীদের মহার্ঘ ভাতা দেয়া হয়নি তা সত্ত্বেও জিনিসপত্রের এই লাগামহীন মূল্য বৃদ্ধিতে সরকার যেন নীরব থাকাকেই শ্রেয় মনে করছে।


মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগেও ডিমের খুচরো দাম ছিল পাঁচ টাকা করে আজ সেই ডিমের দাম এক লাফে দু টাকা মেরে সাত টাকা হয়েছে। মুরগির মাংসের দাম আকাশ ছোঁয়া মাছের দাম ধরাছোঁয়ার বাইরে। এক সপ্তাহ আগেও পেঁয়াজের দাম ছিল কুড়ি থেকে ত্রিশ টাকার মধ্যে সেই পেঁয়াজ হাফ সেঞ্চুরি করার পথে সরকার নীরব কোন উচ্চবাচ্য নেই।

সরকারের টাস্ক ফোর্স আছে কিন্তু জিনিসপত্রের দাম নিয়ন্ত্রণের কোন পরিকাঠামো নেই। সরষের তেলের দাম লিটার কিছু বেড়েছে ১০ থেকে ১৫ টাকা, সাদা তেলের দাম লিটার পিছু বেড়েছে প্রায় কুড়ি টাকা। নিরব সরকার। সরকার সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে কম দামে জিনিস বিক্রি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কিন্তু বিষয়টি একটু তলিয়ে দেখলে দেখা যাবে এইসব স্বল্পমূল্যের বাজার গুলি তৈরি হয়েছে সেই সব এলাকায় যেখানে অভিজাত মানুষেরা বসবাস করে বালিগঞ্জের মত এলাকায় দেখা যাচ্ছে প্রতি শনিবার এই বাজার বসেছে অথচ বাকসার কাজ তপসিয়া তিলজলা এমনকি কলোনি অঞ্চলগুলোতে পর্যন্ত এই ধরনের বাজার বসছে না বলে অভিযোগ উঠেছে।

সুতরাং সরকারের ভর্তুকি দিয়া কম দামের জিনিসপত্র গরিব মানুষরা কিনতে পারছে না বলে অভিযোগ উঠেছে ।এই পরিস্থিতিতে সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ প্রার্থনা করছে রাজ্যের সাধারণ মানুষ। কারন, রাজ্যের সাধারণ মানুষ এখনো মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি বিশ্বস্ত। তারা বিশ্বাস করেন তিনি সাধারণ মানুষের কথা চিন্তা করেন তাদের কথা ভাবেন।

